বিচারপতি মো. আব্দুস সালাম : হযরত মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্ হযরত যায়নাব রাযি আল্লাহু আনহাকে বিবাহ করেন এবং তারপর প্রথম পর্দার বিধান জারী করা হয় হিজরী ৫ম সনে, তখন হযরত আনাস (রাঃ) ইবনে হযরত উম্মু সুলাইম (রাঃ) ১৫ বৎসরের যুবক, তাঁহার সামনে প্রথম পর্দার আয়াত নাযিল হয় : ঊসুরা আহযাব, আয়াত-৫৪। অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবীগৃহে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করোনা। পর্দার বিধান সমূহকে ২টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছেঃ প্রথম পর্যায় : ঘরোয়া পরিবেশে পর্দা আল্লাহ্ পাক এরশাদ করেন : আর তোমরা (মহিলাগণ) তোমাদের ঘরের মধ্যে অবস্থান করো। পূর্বের জাহিলিয়াতের মতো নিজেদের রূপ সৌন্দর্য ও দেহ প্রদর্শন করে বেড়িওনা। (সূরা আহযাব, আয়াত-৩৩) এর ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে কাসীর (রহঃ) লিখেছেনঃ অর্থঃ তোমাদের ঘরকে তোমরা আঁকড়ে থাকো এবং বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবেনা। নারী সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে বলা হয়। অর্থঃ তোমরা তাদের কাছে পৌঁছে শান্তি লাভ কর, এ কারণেই তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। পুরুষের যত প্রয়োজন নারীর সাথে সম্পৃক্ত সবগুলো সম্পর্কে চিন্তা করলে দেখা যায় যে, সবগুলোর সারমর্ম হচ্ছে মানসিক শান্তি ও সুখ এবং বৈবাহিক জীবনের যাবত...