বিচারপতি মো. আব্দুস সালাম : হযরত মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্ হযরত যায়নাব রাযি আল্লাহু আনহাকে বিবাহ করেন এবং তারপর প্রথম পর্দার বিধান জারী করা হয় হিজরী ৫ম সনে, তখন হযরত আনাস (রাঃ) ইবনে হযরত উম্মু সুলাইম (রাঃ) ১৫ বৎসরের যুবক, তাঁহার সামনে প্রথম পর্দার আয়াত নাযিল হয় : ঊসুরা আহযাব, আয়াত-৫৪। অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবীগৃহে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করোনা। পর্দার বিধান সমূহকে ২টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছেঃ প্রথম পর্যায় : ঘরোয়া পরিবেশে পর্দা আল্লাহ্ পাক এরশাদ করেন : আর তোমরা (মহিলাগণ) তোমাদের ঘরের মধ্যে অবস্থান করো। পূর্বের জাহিলিয়াতের মতো নিজেদের রূপ সৌন্দর্য ও দেহ প্রদর্শন করে বেড়িওনা। (সূরা আহযাব, আয়াত-৩৩) এর ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে কাসীর (রহঃ) লিখেছেনঃ অর্থঃ তোমাদের ঘরকে তোমরা আঁকড়ে থাকো এবং বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবেনা। নারী সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে বলা হয়। অর্থঃ তোমরা তাদের কাছে পৌঁছে শান্তি লাভ কর, এ কারণেই তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। পুরুষের যত প্রয়োজন নারীর সাথে সম্পৃক্ত সবগুলো সম্পর্কে চিন্তা করলে দেখা যায় যে, সবগুলোর সারমর্ম হচ্ছে মানসিক শান্তি ও সুখ এবং বৈবাহিক জীবনের যাবত...
ছবিঃ দৈনিক নয়াদিগন্ত জি কে শামীমের আলিশান বাড়িতে সুনসান নীরবতা সোনারগাঁওয়ের সনমান্দি ইউনিয়নের চর বলুয়া গ্রাম। চার দিকে গাছগাছালি আর সবুজের সমারোহ। সেখানেই আলিশান তিন তলা বাড়ি। প্রধান ফটকে মনোরম লোহারগেট। ভেতরে রয়েছে দামি দামি ফার্নিচার। বাড়িতে রয়েছে বিশাল বৈঠকখানা। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে এ বাড়ি নির্মাণ করলেও এখানে থাকতেন না জি কে শামীম। মাঝে মাঝে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসতেন। সর্বশেষ এসেছেন গত ঈদুল আজহায়। জি কে শামীমের এ আলিশান বাড়িতে এখন সুনসান নীরবতা। বাড়ির কেয়ারটেকার তালা দিয়ে চলে গেছেন অন্যত্র। তবে জি কে শামীম গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকার উৎসুক জনতার নজর বাড়িটির দিকে। জি কে শামীমের ভাতিজা দেলোয়ার হোসেন জানান, চাচা তো যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা। শেষ ঈদে বাড়ি এসেছিলেন। কেয়ারটেকার চলে গেছে দুই দিন আগে তালা দিয়ে। তবে কোথায় গেছে জানি না। গুলশানের নিকেতনের কার্যালয় থেকে বিপুল টাকা ও অস্ত্র-মাদকসহ গ্রেফতার হওয়া জি কে শামীম কিভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক তা জানেন না প্রতিবেশীসহ তার আত্মীয়-স্বজনরা। স্থানীয় একটি সূত্রে জানায়, ঢাকার সবুজবাগে এক সময় মেসে থাকতেন জি কে শামীম। মাত্র...